৫ কার্তিক ১৪২৬, রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ , ৩:৪১ অপরাহ্ণ

অক্টোবর থেকে চুড়ান্ত সহিংস আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

বিডিএসনিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:৪১ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০৫:৪৫ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৮ শনিবার

অক্টোবর থেকে চুরান্ত সহিংস আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

অক্টোবর থেকে চুরান্ত সহিংস আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন- এ দুই ইস্যুতে আন্দোলনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করছে বিএনপি। তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই এ রোডম্যাপ চূড়ান্ত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিএনপির টার্গেট অক্টোবর। দাবি আদায়ে এ মাসেই কঠোর সহিংস কর্মসূচির মাধ্যমে তারা রাজপথে থাকবেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে রাজপথে নামবে দলটি।

সূত্র জানায়, পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামবেন। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি আসতে পারে। ওই সমাবেশে ঐক্য প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন- এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন এক নীতিনির্ধারক। ওই সমাবেশে থেকেও সহিংস আন্দলোন শুরু করা হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের ৭৮ সাংগঠনিক জেলার নেতাদের মতামত পর্যালোচনা করতে আট আগস্ট বুধবার বৈঠক করেছেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় গুলশানে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সাংগঠনিক জেলার ১৬০ নেতার বক্তব্য পর্যালোচনা করা হয়। যেখানে প্রায় সব নেতার বক্তব্যেই ‘খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাব না এবং আন্দোলনের বিকল্প নেই’- এমন মত উঠে এসেছে। ঢাকা অচল করার পরিকল্পনাও হাতে নেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চূড়ান্ত আন্দোলনের আগে দলকে আরও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন সব নেতা। তৃণমূল নেতাদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একমত পোষণ করেছেন নীতিনির্ধারকরা। তবে আন্দোলনের ধরন কী হবে তা নিয়ে জেলার নেতাদের পরামর্শের বিষয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত ৩ ও ৪ আগস্ট সাংগঠনিক জেলার নেতাদের নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় গুলশানে দুই দিনব্যাপী বৈঠক করেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। ওই বৈঠক থেকেই সনিংসতার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিডিএস নিউজকে বলেন, দলের তৃণমূল নেতারা তাদের মতামত দিয়েছেন। আমরা তাদের মতকে গুরুত্বসহকারে নিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই বলছি খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে দেশে নির্বাচন হবে না। এর জন্য যা করার তা করবো। সহিংসতার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি এড়িয়ে যায়।

সূত্র জানায়, সাত আগস্ট গুলশান কার্যালয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকেওএ বিষয়ে অবহিত করেন বিএনপি নেতারা। ওই বৈঠকে কূটনীতিকরা আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। । বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। সহিংস আন্দো;অনে যাবার জন্য কূটনীতিকদের ইঙ্গিত দেয়া হয়।

সূত্রমতে, শিগগির এ নিয়ে আরেকটি বৈঠক করার কথা রয়েছে ।ওই বৈঠকেই মূলত চূড়ান্ত আন্দোলন ও বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য প্রক্রিয়া- এ দুই ইস্যুতে স্থায়ী কমিটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরে এ ব্যাপারে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং লন্ডনে অবস্থানরত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অবহিত করা হবে। দলের এ দুই শীর্ষ নেতা একমত হলেই আন্দোলনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হবে।