৫ কার্তিক ১৪২৬, রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ , ২:৪৪ অপরাহ্ণ

কানাডায় শেখ হাসিনার কর্মসূচি

বিডিএসনিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:৩২ পিএম, ৮ জুন ২০১৮ শুক্রবার

কানাডায় শেখ হাসিনার কর্মসূচি

কানাডায় শেখ হাসিনার কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ৯টায় (টরন্টোর স্থানীয় সময়) এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে টরেন্টো পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে কুইবেক সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য ৪৪তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিবেন। 
 
অপরদিকে ও আইসির সদস্য না হয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে কানাডা তথা কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে যোগ দেন। 
 
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক মধুর। তারপরও টরন্টোতে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু হত্যার খুনি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি বছরের পর বছর ধরে অমিমাংসিত। এবার এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী জানালেও, প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে তা নেই। 
 
শেখ হাসিনার এই চারদিনের সরকারি সফর উপলক্ষে টরন্টো এয়ারপোর্টে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈমউদ্দিন আহমেদ তাকে স্বাগত জানাবেন। সেখান থেকে তিনি সফরসঙ্গীদের নিয়ে সরাসরি জ্যাঁ লেসাগে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যাবেন। সেখানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। 
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেয়া নৈশভোজ, পরদিন শনিবার লি ম্যানইর রিচেলিউ হোটেলে জি-৭ আউটরিচ নেতাদের কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ, রবিবার সকালে জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠক এবং দুপুরে কুইবেক থেকে টরেন্টোতে ফিরে সন্ধ্যায় হোটেল মেট্রোতে প্রবাসীদের সংবর্ধনা ও মতবিনিময়। সোমবার হোটেল রিজ কার্লটনে কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে বৈঠক। এছাড়া সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও রফতানি উন্নয়ন মন্ত্রী গর্ডন ওয়েন্ট কিউসি, অভিবাসনমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন ও সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করবেন। 
 
উল্লেখ্য, জি-৭ এর সাত সদস্য হচ্ছে- কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এই দেশগুলোসহ ১৬টি দেশের রাষ্ট্র প্রধান বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। 
 
এদিকে সম্মেলনের নিরাপত্তার কারণে কুইবেক সিটির ১০ হাজার সরকারি কর্মকর্তার ছুটি দেয়া হয়েছে, বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।