৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ , ৪:০৩ অপরাহ্ণ

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

বিডিএসনিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৩:৩২ এএম, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০১:১১ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ বুধবার

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

অর্পিত ক্ষমতাবলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বহিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেল থেকে এক ভিডিও বার্তাতে সরাসরি এই ইঙ্গিত দেন তিনি। বিএনপি`র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কারাগার থেকে মোবাইলে ধারণকৃত খালেদা জিয়ার একটি ভিডিও বার্তা সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে প্রচার করেন। তিনি আরো বলেন, শুধু মির্জা ফখরুল নয়, সংলাপে অংশ নিতে যাওয়া সকলকেই বহিস্কার করবেন বেগম জিয়া। এই গুঞ্জনের জের হিসেবে গতকাল সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি, সিনিয়র নেতারা কেউই কার্যালয়ে আসেননি। বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান মনে করছেন বর্তমান নেতৃত্বাধীন বিএনপি শেখ হাসিনার ফাঁদে পা দিয়েছে।

 

কারাগার থেকে ফাঁস হওয়া ভিডিও বার্তায় খালেদা জিয়াকে বলতে শোনা যায়, "বিএনপিকে ভেঙ্গে দিয়ে বা আমাদেরকে বাদ দিয়ে নতুন একটি বিএনপি তৈরি করবে।" রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, জেল হাজত থেকে গোপন ভিডিও বার্তায় খালেদা জিয়া এটি মির্জা ফকরুলকে ইঙ্গিত করে বলেছেন এবং তাকে (ফকরুলকে) দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য দল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংলাপে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বেগম জিয়া ঐ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিএনপির একটি অংশ দাবি করেছে।

রিজভী বলছেন, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১২ নম্বর কেবিনে বন্দী দলের চেয়ারপারসন এক গোপন বার্তায় এই নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এটাকে ‘গুজব’ এবং বিভ্রান্তি ‘সৃষ্টির নোংরা খেলা’ বলে দাবি করছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট। কারণ গত কয়েকদিন বেগম জিয়ার সঙ্গে কারোরই কোনো দেখা সাক্ষাত হয়নি। বিএসএমএমইউতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বেগম জিয়াকে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে কোনো বার্তা পাঠানো সম্ভব না।’ তবে, বেগম জিয়ার ঘনিষ্ঠ একাধিক নেতা বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্য ফখরুল সাহেব ‘ধানের শীষ’ প্রতীক চুরি করতে চাইছেন। ঐ প্রতীকে নির্বাচন করে তিনি বর্তমান সরকারকে আবার ক্ষমতায় বসানোর এজেন্সি নিয়েছেন।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, ‘বিএনপিতে ষড়যন্ত্র চলছে। জিয়া পরিবারকে বিএনপি থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই ষড়যন্ত্রে একাধিক শীর্ষ নেতা জড়িত।’