৪ ভাদ্র ১৪২৬, মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ , ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ

মাহমুদুর রহমনের উপর হামলা ছিলো সাজানো! গোপন ছবি প্রকাশ

বিডিএসনিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:২৪ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৮ সোমবার

মাহমুদুর রহমনের উপর হামলা ছিলো সাজানো! গোপন ছবি প্রকাশ

মাহমুদুর রহমনের উপর হামলা ছিলো সাজানো! গোপন ছবি প্রকাশ

কুষ্টিয়ায় আদালত এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়েছেন আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। আদালত এলাকায় দীর্ঘ সময় তাকে ঘিরে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। মাহমুদুর রহমানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় ছাত্রলীগ এ হামলার সাথে জড়িত। কিন্তু অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে ছাত্রলীগ না নিজেই নিজের উপর হামলা করান মাহমুদুর রহমান।

গতকাল রবিবার বিকাল ৪টার দিকে আদালত থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন।

দুপুরে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক এম এম মোর্শেদ ১০ হাজার টাকা জামানতে স্থায়ীভাবে তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় মাহবুবুর রহমান আদালতে হাজির ছিলেন। দুর্বৃত্তরা  আদালত চত্বরে মাহমুদুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখে। গাড়িতে করে চলে যাবার সময় গাড়ির মধ্যে বসে তাকে রক্তাক্ত দেখা যায়। কিন্তু গাড়িতে ওঠার পর কিভাবে রক্তাক্ত হলেন তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করে

দুপুর ১টার দিকে তিনি সঙ্গীদের সঙ্গে আদালত থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে আদালত ভবনের প্রতিটি প্রবেশ দ্বার দুর্বৃত্তরা আটকে দেয়।

পরে তিনি আদালত এলাকা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

কারা হামলা করেছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী কুষ্টিয়া ব্যারের সিনিয়র আইনজীবি প্রিন্সিপাল আমিরুল ইসলাম বলেন, হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই।
কিন্তু কুষ্টিয়ার সিনিয়ার সাংবাদিক খালিদ হাসান সিপাই এক ঘরোয়া আড্ডায় বলেন , “পুরো ঘটনাটি  মাহমুদুর রহমান স্যার ভালোভাবেই সাজিয়েছেন । শুধুমাত্র সরকার ও ছাত্রলীগকে ফসানোর জন্য নিজের রক্ত নিজে ঝরাতে পারেন তা স্যারকে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু স্যারের হাসি মুখের ছবিটা কে তুলল বুঝতে পারলাম না ।”
ওই ঘরোয়া আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন , আ.ফ.ম নুরুল কাদে্‌র ,বরকত আলী মাজেদ সহ কুষ্টিয়ার অনেক সিনিয়র সাংবাদিক।

হামলার ঘটনা সাজানো প্রকাশ হবার সাংবাদিক মহল সহ সুধি মহলে  মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

 

উল্লেখ্য, আমার দেশ পত্রিকায় কাবা শরীফের গিলাফ পরিবর্তনের ছবিকে সাইদির মুক্তি আন্দোলন বলে মিথ্যাচার, সাইদিকে চাঁদে দেখা যাওয়ার গুজব, উত্তরা ষড়যন্ত্রসহ নানা গুরুতর অভিযোগ আছে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে।