৫ কার্তিক ১৪২৬, রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ , ২:৪৫ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজারে বন্যায় ১৮৩ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ

বিডিএসনিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:৩১ এএম, ৩ জুলাই ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ০১:৫৮ এএম, ৩ জুলাই ২০১৭ সোমবার

মৌলভীবাজারে বন্যায় ১৮৩ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ

মৌলভীবাজারে বন্যায় ১৮৩ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মৌলীবাজারের বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলায় বন্যা ইতিমধ্যে স্থায়ী রূপ নিয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ওই তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুয়।

ঘর-বাড়ি, বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জেলার ১৮৩টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় তলিয়ে গেছে।এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ হয়ে পড়েছে। আর ২৯টি স্কুলে খোলা হয়েছে বন্যা কবলিত গ্রামের মানুষের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, শনিবার পর্যন্ত বন্যায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলার ১৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় তলিয়ে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বড়লেখায় ৬০টি, কুলাউড়ায় ৪৪টি, জুড়ীতে ২০টি, রাজনগরে ২৪টি ও সদর উপজেলায় চারটি স্কুল তলিয়ে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

বড়লেখা, জুড়ী, রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলার ২১ টি স্কুলে খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। এর মধ্যে বড়লেখায় সাতটি, কুলাউড়ায় পাঁচটি, রাজনগরে দুটি ও জুড়ীতে সাতটি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানায়, বন্যায় জেলার বড়খেলা উপজেলায় ২০টি, কুলাউড়ায় আটটি ও জুড়ীতে ১৩টি বিদ্যালয় তলিয়ে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিতদের জন্য জুড়ী উপজেলায় চারটি, বড়লেখায় দুটি ও কুলাউড়ায় দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রেখে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

রোববার বিকেলে আলাপকালে রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের তারাপাশা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, বন্যায় আমাদের ঘর তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক গতিতে লেখাপড়া করতে পারছি না।

একই ইউনিয়নের আলখাছুর রহমান নামে এক অভিভাবক বলেন, বাড়ি তলিয়ে যাওয়ার কারণে ছাত্ররা ঠিকমত লেখাপড়া করতে পারছে না।  

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল আলিম বলেন, বন্যায় তলিয়ে যাওয়া বিদ্যালয়ের বিল্ডিংয়ের অনেক ক্ষতি হয়েছে। অনেক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পানি বাড়লে এগুলোও তলিয়ে যাবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাওর পাড়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং তলিয়ে যাওয়া স্কুলের ছাত্রদের লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে।