৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, শনিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ , ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ
খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

অর্পিত ক্ষমতাবলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বহিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেল থেকে এক ভিডিও বার্তাতে সরাসরি এই ইঙ্গিত দেন তিনি। বিএনপি`র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কারাগার থেকে মোবাইলে ধারণকৃত খালেদা জিয়ার একটি ভিডিও বার্তা সন্ধ্যা দলীয় কার্যালয়ে প্রচার করেন। তিনি আরো বলেন, শুধু মির্জা ফখরুল নয়, সংলাপে অংশ নিতে যাওয়া সকলকেই তিনি বহিস্কার করবেন বেগম জিয়া। এই গুঞ্জনের জের হিসেবে গতকাল সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি, সিনিয়র নেতারা কেউই কার্যালয়ে আসেননি। বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান মনে করছেন বর্তমান নেতৃত্বাধীন বিএনপি শেখ হাসিনার ফাঁদে পা দিয়েছে।


জামায়াতের হিটলিস্টে ৫৬০ বিশিষ্টজন

জামায়াতের হিটলিস্টে ৫৬০ বিশিষ্টজন

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে দারুণ সক্রিয় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। নিবন্ধন হারানো দলটি নির্বাচনে তাদের নেতা-কর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে যেমন উৎসাহিত করছে; অন্যদিকে রাজনৈতিক মিত্রজোট বিএনপি’র থেকে কমপক্ষে ৫০ টি আসন চেয়েছেন তারা। জেতার মত প্রার্থীদেরও ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে বিএনপিও জামায়াতকে আশ্বস্থ করেছে।
এদিকে আগামি নির্বাচনে জয়ী হলে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনাও ঠিক করেছে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সংগঠনটি। তবে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অন্তরায় হিসেবে প্রগতিশীল আদর্শে বিশ্বাসীদের বাঁধা হিসেবে দেখছেন তারা। প্রগতিশীল বলয়ের কন্ঠরোধে তাই ৫৬০ বিশিষ্টজনের ‘হিটলিস্ট’ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ফের ক্ষমতায় আসলে জামায়াত প্রগতিশীল চিন্তাশক্তির বলয়কে ধ্বংস করতে চায় এমন তথ্য সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে রয়েছে। সে লেক্ষ্যে তারা ৫৬০ বিশিষ্ট ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেছে। দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক থেকে এই নামের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তালিকায় রাজনীতিবিদ-শিক্ষক-সাংবাদিক-সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের নাম রয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে জয়ের সমীকরণ মেলাতে জামায়াত প্রকাশ্যে নিষ্ক্রিয় থাকলেও পর্দার অন্তরালে বিএনপির সঙ্গে নিজেদের বোঝাপড়া ঠিকই করে নিচ্ছে। বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টকে সমর্থনের বিনিময়ে তারা বিএনপিকে কিছু শর্ত দিয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করলেও জোটগতভাবে মনোনয়নের প্রত্যাশায় ৫০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা বিএনপির হাতে তুলে দেয়। শনিবার (১৭ নভেম্বর) ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্বদানকারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নজরুল ইসলাম খানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল।
সূত্র জানায়, সারাদেশে ৬০টি আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থিতার জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। এই ৬০ জনের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করে ৫০ জনের নামের তালিকা দলের পক্ষ থেকে বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে। বাকীরা দলের সিগন্যাল নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে চায়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একটি সূত্র জানায়, তালিকায় নাম প্রস্তাব ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আসনে ভোটের হিসাব, জামায়াতের বিগত দিনে প্রাপ্ত ভোট, সম্ভাবনা, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিএনপির অবস্থানসহ বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। শনিবার এই তালিকা দিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা। এরপর তার পরামর্শেই দলের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্যের কাছে তালিকা হস্তান্তর করেন।
২০০১ সালে চারদলীয় জোটের ব্যানারে ৩১টি, এরমধ্যে জোটবদ্ধভাবে ৩০টি এবং এককভাবে একটিতে নির্বাচন করে জামায়াত। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৯টি আসনে জোটগত সমর্থন পেলেও চারটি থেকে দলীয়ভাবে নির্বাচন করেন জামায়াতের প্রার্থীরা। দলটির তৃণমূলের অভিমতের ভিত্তিতে এবার তাদের দাবি ৬২টি। তবে চূড়ান্তভাবে ৩০টি আসনে ন্যূনতম ছাড় চায় জামায়াত। কারণ জামায়াতের লক্ষ্য বিএনপিকে ছাড় দিয়ে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির ‘সমঝোতা প্রক্রিয়ায়’ সহায়ক অবস্থান নেওয়া। যাতে যেকোনমূল্যে আগামি নির্বাচনে জিতে পুনরায় ক্ষমতার স্বাদ পাওয়া যায়।
এদিকে নির্বচনের আগে দারুণ সক্রিয় জামায়াতের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ খ্যাত লন্ডনপ্রবাসী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ইতোমধ্যে তিনি সেখানে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপার্সন (ভারপ্রাপ্ত) তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনে জামায়াতের অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। নির্বাচনে বিএনপিকে সবধরনের সহযোগিতা করতে চান তারা। প্রয়োজনে নিজেদের ‘ক্ষতি’ স্বীকার করে ঐক্যফ্রন্টকে সামনে রেখে বিএনপির সহায়ক হবেন। কিন্তু বিনিময়ে কিছু শর্ত দিয়েছেন তারেক রহমানকে। তার অন্যতম হলো দেশের প্রগতিশীল শক্তির কণ্ঠরোধ করা।
লন্ডনে অবস্থানরত প্রবাসী বাঙ্গালিদের সূত্রে জানা যায়, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকসহ জামায়াতের বেশ কয়েকজন পলাতক নেতা লন্ডনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কয়েকটি বৈঠক করেছেন। ওই সব বৈঠকে দেশ থেকেও জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা অংশ নিয়েছেন। বৈঠকে তারা দেশের ৫৬০জন ব্যক্তির একটি তালিকা তৈরি করেন যা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে মৌখিকভবে জানানো হয়েছে বলে কমিউনিটিতে গুঞ্জন আছে।
জানা গেছে, জঙ্গীবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যারা বেশি সড়ব। যারা থাকলে জামায়াত তাদের সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারে না। বেঁছে বেছেঁ তাদের নাম নিয়েই এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এই তালিকায় আছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কমরেড দিলীপ বড়ুয়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান, সুলতানা কামাল, ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমির-উল-হক, সাংবাদিক মতিউর রহমান, মাহফুজ আনাম, মাসুদা ভাট্টি, শ্যমল দত্ত, ড. আনিসুজ্জামান, ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক, ড. আখতারুজ্জামান, ড. মঞ্জুরুল ইসলাম, ড. মেসবাহ কামাল, ড. কাবেরী গায়েন, ড. গীতি আরা নাসরীন,ড. গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, অধ্যাপক আবদুল মান্নান, অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, সংস্কৃতিকর্মী নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, গোলাম কুদ্দুছ, হাসান আরিফ, মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির, শাহরিয়ার কবির, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, ব্লগার মারুফ রসূল, মাহমুদুল হক মুন্সী, অমি রহমান পিয়াল, আরিফ জেবত্যিক, শাইখ সিরাজ, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ফজলে হাসান আবেদ, মোজাম্মেল বাবু, ব্যবসায়ী শাহ আলম, সিটি ব্যাংকের রুবেল আজিজ, যমুনা গ্রুপের বাবুল, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু’র নামও রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য জামায়াতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক তাসনীম আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি।


০১:৫৬ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার

লন্ডনে তারেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

তদন্ত কমিটি গঠন

লন্ডনে তারেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

হিসাব বহির্ভূত অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করেছে ব্রিটিশ সরকার। অস্বাভাবিক লেনদেনের কারণ অনুসন্ধান, অর্থের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক জিয়া বর্তমানে লন্ডনে বসবাস করছেন। লন্ডনের বিলাসবহুল এলাকায় তারেকের বসবাস নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে একাধিকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে জ্ঞাত কোনো আয় না থাকলেও সেখানে তারেক রহমানের বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে বিএনপিসহ নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা, গুঞ্জন আছে। এদিকে সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে দিতে ও তার বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে একাধিকবার ব্রিটেন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে সেখানে বসবাসকারী প্রবাসী বাঙ্গালিরা। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে, তারেক রহমানের উপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে দেয় ব্রিটিশ সরকার। বিএনপির নেতৃত্বাধীন দুই সরকারের আমলে তারেক রহমান বিপুল সম্পদ অর্জন ও দেশে বিদেশে নামী-বেনামী সম্পত্তির অভিযোগও জানা ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের।
তাই বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের জীবনযাপন, গতি-বিধি ও আয়ের উৎসের উপর কড়া নজর রাখা শুরু করে বিট্রিশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ। সম্প্রতি বিএনপি যুক্তরাজ্য শাখার কর্মী শামসুদ্দিন ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের স্ট্রাটফোর্ড ব্রাঞ্চে তারেক জিয়ার অ্যাকাউন্টে ৪ টি আইডি কার্ড ব্যবহার করে ৩০ হাজার পাউন্ড ক্যাশ জমা দিতে গেলে সন্দেহ হয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের। ব্যাংক কর্মকর্তারা সেই পাউণ্ড জমা নিতে ‘আপাত অস্বীকৃতি’ জানিয়ে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাদের ডেকে আনে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে শামসুদ্দিনকে ৫ হাজার পাউণ্ড ওই হিসেবে দেওয়ার কারণ ও অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে বেরিয়ে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে থাকা তারেক রহমানের ওই হিসাবে ৮/১০ মিলিয়ন পাউণ্ড লেনদেন করা হয়েছে। এর বেশিরভাগ অর্থ এসেছে দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশ থেকে। তারেক রহমানের ব্যাংক হিসেবে আকস্মিক পাউন্ডের লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পান তারা।
লন্ডনে থাকা একটি সূত্র জানিয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দারুণ সক্রিয় বিএনপি চেয়ারপার্সন (ভারপ্রাপ্ত) তারেক রহমান। লন্ডন থেকে তার একক সিদ্ধান্তে বিএনপি পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার তিনি লন্ডনে বসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিচ্ছেন। নির্বাচনে যাতে বিএনপি ক্ষমতায় আসে সে জন্য বহির্বিশ্বে নানা জায়গায় লবিং-তদবির শুরু করেছেন। বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসনকে বিএনপির দিকে সহানুভূতিশীল করতে ব্যাপক অর্থ খরচ করা হচ্ছে।
তদন্তে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি লবিং ফার্মকে নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। এ জন্য সব মিলিয়ে খরচ করার কথা ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার (১ কোটি ২৮ লাখ টাকা)। এছাড়াও বিএনপির পক্ষে লন্ডনপ্রবাসী আবদুস সাত্তার এ বছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের জন্য ব্লুস্টার স্ট্র্যাটেজিস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করেছে।
চুক্তির বিবরণে দেখা যায়, এ বছরের আগস্ট মাসের জন্য ২০ হাজার ডলার বা ১৬ লাখ টাকা এবং পরের চার মাসের প্রতি মাসের জন্য ৩৫ হাজার ডলার (২৮ লাখ টাকা) করে পাবে ব্লুস্টার স্ট্র্যাটেজিস। আর ব্লুস্টার স্ট্র্যাটেজিস এই কাজের জন্য রাস্কিপার্টনার্স নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
বিএনপির এই লবিস্ট নিয়োগ-সংক্রান্ত নথিতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির লক্ষ্যগুলো সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়ন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপির স্বার্থের বিষয়টি নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমে তুলে ধরা এবং সরকারগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনার কৌশল নির্ধারণ। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিএনপির অবস্থান তুলে ধরতে ভাষ্য তৈরিও এই চুক্তির অংশ।
এ ছাড়া, করভিস কমিউনিকেশনস, এলএলসির জমা দেওয়া বিবরণী অনুযায়ী, বিএনপি যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষে ডন হক নামের এক ব্যক্তি ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শুধু একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে, সেই সেবার অর্থমূল্য বিবরণীতে ঘোষণা করা হয়নি।
এর আগে ২০১৫ সালেও বিএনপির পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবী টোবি ক্যাডম্যান যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকিনগাম্প স্ট্রস হাওয়ার অ্যান্ড ফেল্ড এলএলপির সঙ্গে একটি চুক্তির জন্য আলোচনা করেন। প্রকাশিত চুক্তির খসড়ায় দেখা যায়, মাসিক ৪০ হাজার ডলারে (৩২ লাখ টাকা) চুক্তিবদ্ধ হওয়ার প্রস্তাব দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পরে মাসিক ফি ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলারে (৬৪ লাখ টাকা থেকে ৮০ লাখ টাকা) নির্ধারণের অঙ্গীকার দাবি করে।
তারেক রহমানের অ্যকাউন্ট জব্দের কারণ জানতে চাইলে ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়, ‘তারেক রহমান বার্ষিক সেল্ফ এসেসমেন্টে তার আয়-ব্যায়ের যে হিসাব দেখিয়েছেন সেখানে হিসাববহির্ভূত অধিক লেনদেনের জন্য ইউকে এইচএম রেভিনিউ তারেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দিয়েছে।’


০৬:৪৯ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

মনোনয়ন বিবাদ, মির্জা ফখরুলকে মারতে তেড়ে গেল কর্মীরা (ভিডিওসহ)

মনোনয়ন বিবাদ, মির্জা ফখরুলকে মারতে তেড়ে গেল কর্মীরা (ভিডিওসহ)

গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাশীদের শেষ দিনের সাক্ষাৎকারে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ময়মনসিংহ- ১ আসনের বিএনপি কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তেড়ে গিয়েছেন মির্জা ফখরুলকে মারার উদ্দেশ্য


১১:৪১ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

তিন’শ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকা

তিন’শ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকা

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে বারবার হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে গোপনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার অনিশ্চিত ভাগ্য বিবেচনা করে এবং বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষার বিষয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করে তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুলরা। আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত বিদেশি বন্ধুরাষ্ট্র ও একাধিক দূতাবাসের অনুরোধে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা যায়। নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে তিন’শ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২৩ দলীয় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে তিন’শ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২৩ দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকা তুলে ধরা হলো :

পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, পঞ্চগড়-২ ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুঁই (জাগপা), ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ জেড মর্তুজা চৌধুরী তুলা, ঠাকুরগাঁও-৩ মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ, দিনাজপুর-১ মোঃ আবু হানিফ (জামায়াত), দিনাজপুর-২ লেঃ জেনাঃ (অবঃ) মাহবুবুর রহমান, দিনাজপুর-৩ শাহরিয়ার আখতার হক ডন, দিনাজপুর-৪ মোঃ হাফিজুর রহমান, দিনাজপুর-৫ এজেডএম রেজোয়ানুল হক চৌধুরী, দিনাজপুর-৬ আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত), নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মোঃ শামসুজ্জামান, নীলফামারী-৩ ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট, নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার, লালমনিরহাট-১ ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ সালাহ উদ্দিন আহমেদ হেলাল, লালমনিরহাট-৩ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর-১ রইচ আহমেদ, রংপুর-২ অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী, রংপুর-৩ মোঃ মোজাফফর আহমেদ, রংপুর-৪ এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৫ গোলাম রব্বানী (জামায়াত), রংপুর-৬ নূর মোহাম্মদ মন্ডল, কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-২ সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীর-উল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াত), গাইবান্ধা-১ মাজহারুল ইসলাম, গাইবান্ধা-২ মোঃ আনিসুজ্জামান খান বাবু, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ মঈনুল হাসান সাদিক, গাইবান্ধা-৪ মোঃ ফারুক কবির আহম্মেদ, গাইবান্ধা-৫ মাওলানা আমজাদ হোসেন (জামায়াত), জয়পুরহাট-১ মোঃ ফয়সাল আলীম, জয়পুরহাট-২ ইঞ্জিঃ গোলাম মোস্তফা, বগুড়া-১ মোঃ শোকরানা, বগুড়া-২ একেএম হাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ মোঃ আব্দুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ ইঞ্জিঃ জেডআইএম মোস্তফা আলী মুকুল, বগুড়া-৫ জানে আলম খোকা, বগুড়া-৬ খালেদা জিয়া/তারেক রহমান/জোবায়দা রহমান, বগুড়া-৭ খালেদা জিয়া/তারেক রহমান/জোবায়দা রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ অধ্যাপক শাহজাহান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নুরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াত), নওগাঁ–১ ডাঃ ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-২ মোঃ শামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিক, নওগাঁ-৪ মোঃ শামসুল আলম প্রামানিক, নওগাঁ-৫ মোঃ জাহেদুল ইসলাম, নওগাঁ-৬ মোঃ আনোয়ার হোসেন বুলু, রাজশাহী-১ ব্যারিষ্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ এ্যাডঃ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আবু হেনা, রাজশাহী-৫ এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফা, রাজশাহী-৬ মোঃ আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১ কামরুন্নাহার শিরিন, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ কাজী গোলাম মোর্শেদ, নাটোর-৪ মোঃ আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ মোঃ সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ মোঃ আব্দুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৪ রফিকুল ইসলা খান (জামায়াত), সিরাজগঞ্জ-৫ গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ কামরুদ্দিন এহিয়া খান মজলিস, পাবনা-১ ব্যারিস্টার নজিবুল্লাহ মোমিন (জামায়াত), পাবনা-২ সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ এয়ার ভইস মার্শাল (অবঃ) ফখরুল আজম, পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা-৫ এ্যাডঃ শিমুল বিশ্বাস, মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ জাবেদ মাসুদ ইসলাম ওরফে মিল্টন, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-২ অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ মোঃ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, চুয়াডাঙ্গা-১ শামসুজ্জামান দুদু, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান ওরফে বাবু খান, ঝিনাইদহ-১ মোঃ আব্দুল ওহাব, ঝিনাইদহ-২ মোঃ মশিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ অধ্যাপক মতিউর রহমান (জামায়াত), ঝিনাইদহ-৪ শহীদুজ্জামান বেল্টু, যশোর-১ মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-২ আবু সাঈদ মোঃ শাহাদাত হুসাইন (জামায়াত), যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪ ইঞ্জিঃ টি এস আইয়ুব হোসেন, যশোর-৫ এ্যাডঃ শহিদ ইকবাল, যশোর-৬ আবুল হোসেন আজাদ, মাগুরা-১ কবির মুরাদ, মাগুরা-২ এ্যাডঃ নিতাই রায় চৌধুরী, নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, নড়াইল-২ কাদের সিকদার, বাগেরহাট-১ এ্যাডঃ শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, বাগেরহাট-৩ লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-৪ অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম (জামায়াত), খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-২ মোঃ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রাকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ শরীফ শাহ কামাল তাজ, খুলনা-৫ ডাঃ গাজী আব্দুল হক, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (জামায়াত), সাতক্ষীরা-১ মোঃ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ তাজকিন আহমেদ চিশতী, সাতক্ষীরা-৩ ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াত), বরগুনা-১ মতিয়ার রহমান তালুকদার, বরগুনা-২ আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি, পটুয়াখালী-১ এভিএম (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ শহিদুল আলম তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-১ ব্যারিঃ আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩ মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ মোঃ নাজিম উদ্দিন আলম, বরিশাল-১ জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বরিশাল-৩ মোশাররফ হোসেন মঙ্গু, বরিশাল-৪ মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, বরিশাল-৫ এ্যাডঃ মজিবুর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ মোঃ আবুল হোসেন খান, ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ ইসরাত সুলতানা (ইলেন ভুট্টো), পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী (জামায়াত), পিরোজপুর-২ আহাদ হোসেন মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ রুহুল আমিন দুলাল, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৩ লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ রাবেয়া সিরাজ, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জেনাঃ (অবঃ) মাহমুদুল হাসান, টাঙ্গাইল-৬ এ্যাডঃ গৌতম চক্রবর্তী, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৮ এ্যাডঃ আহমদ আজম খান, জামালপুর-১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ এ্যাডঃ শাহ ওয়ারেছ আলী মামুন, শেরপুর-১ আলহাজ্ব হযরত আলী, শেরপুর-২ ব্যারিস্টার হায়দার আলী, শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবেল, ময়মনসিংহ-১ ইমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারোয়ার, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিঃ ইকবাল হোসেন, ময়মনসিংহ-৪ দেলোয়ার হোসেন খান দুলু, ময়মনসিংহ-৫ এ কে এম মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ ইঞ্জিঃ শামস উদ্দিন আহেমদ, ময়মনসিংহ-৭ ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ লুৎফুল্লাহেল বাবু, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ময়মনসিংহ-১১ ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, নেত্রকোনা-১ ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আশরাফ উদ্দিন খান, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হেলালী, নেত্রকোনা-৪ মোসাঃ তাহমিনা জামান, নেত্রকোনা-৫ বেগম রাবেয়া আলী, কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অবঃ) আখতারুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. এম ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ এ্যাডঃ ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ এহসান কুপিয়া, কিশোরগঞ্জ-৬ মোঃ শরীফুল আলম, মানিকগঞ্জ-১ আব্দুল হামিদ ডাবলু, মানিকগঞ্জ-২ ইঞ্জিঃ মঈনুল ইসলাম শান্ত, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খান রিতা, মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ কামরুজ্জামান রতন, ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৫ আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা-৬ আবুল বাশার, ঢাকা-৭ নাসিমা আক্তার কল্পনা, ঢাকা-৮ হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা-৯ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, ঢাকা-১১ এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা-১৩ মোঃ আব্দুস সালাম, ঢাকা-১৪ এস এ খালেক, ঢাকা-১৫ মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ঢাকা-১৭ মেজর জেনাঃ (অবঃ) রুহুল আলম, ঢাকা-১৮ মেজর (অবঃ) কামরুল ইসলাম, ঢাকা-১৯ ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ অধ্যাপক এম এ মান্নান, গাজীপুর-৩ ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫ একেএম ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. মঈন খান, নরসিংদী-৩ মোঃ আকরামুল হাসান, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নরসিংদী-৫ জামাল আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ-১ এ্যাডঃ তৈমুর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ অধ্যাপক রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ-৪ মোঃ গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ এ্যাডঃ আবুল কালাম, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ মোঃ হারুন অর রশীদ, ফরিদপুর-১ শাহ মোঃ আবু জাফর, ফরিদপুর-২ শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, ফরিদপুর-৩ মোঃ জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, ফরিদপুর-৪ খন্দকার ইকবাল হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ এফ ই সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, গোপালগঞ্জ-২ এম এইচ খান মঞ্জু, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী, মাদারীপুর-১ কামাল জামাল নুরউদ্দিন, মাদারীপুর-২ হেলেন জেরিন খান, মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, শরিয়তপুর-১ সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন কালু, শরিয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরণ, শরিয়তপুর-৩ সাইদ আহমেদ আসলাম, সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আলহাজ্ব ফজলুল হক আসপিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সিলেট-১ ডাঃ জোবায়দা রহমান, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, সিলেট-৪ আব্দুল হেকিম, সিলেট-৫ আব্দুল কাহির চৌধুরী, সিলেট-৬ আব্দুল কাহের চৌধুরী শামীম, মৌলভীবাজার-১ এবাদুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ এ্যাডঃ আবেদ রেজা, মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ হাজী মুজিব, হবিগঞ্জ-১ শেখ সুজাত মিয়া, হবিগঞ্জ-২ ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউস, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ মোঃ একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আব্দুস সাত্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ইঞ্জিঃ খালেদ মাহবুব হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুসফিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ তকদীর হোসেন শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ মাহমুদ আনোয়ার কায়জার, কুমিল্লা-৩ শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ, কুমিল্লা-৬ হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসিন, কুমিল্লা-৭ এ্যাডঃ রেদোয়ান আহমেদ (এলডিপি), কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, কুমিল্লা-১১ ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের (জামায়াত), চাঁদপুর-১ আ ন ম এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ তানভীর হুদা, চাঁদপুর-৩ জি এম ফজলুল হক, চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান, চাঁদপুর-৫ ইঞ্জিঃ মমিনুল হক, ফেনী-১ খালেদা জিয়া/তারেক রহমান/জোবায়দা রহমান, ফেনী-২ অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল), ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নাল আবেদীন ফারুক, নোয়াখালী-৩ মোঃ বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মোঃ শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ, নোয়াখালী-৬ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-১ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪ শফিউল বারী বাবু, চট্টগ্রাম-১ অধ্যাপক এমডিএম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ কাদের গণি চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ মোঃ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ ফরহাত কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এম মোর্শেদ খান, চট্টগ্রাম-৯ ডাঃ শাহদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আব্দুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ সরোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ ড. কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ (এলডিপি), চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম (জামায়াত), চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলামী চৌধুরী, কক্সবাজার-১ সালাহ উদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার-২ আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ মোঃ শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়ি ওয়াদুদ ভূইয়া, রাঙ্গামাটি লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মনিষ দেওয়ান, বান্দরবান মিসেস মা ম্যা চিং।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা কখনো বলিনি যে নির্বাচন বর্জন করবো। আমরা বলেছি আন্দোলন ও নির্বাচন এক সঙ্গে চলবে। যেহেতু সারা দেশে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে, তাই সবকিছু বিবেচনা করে বিএনপির নেতৃত্বধীন ২৩ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও ম্যাডাম জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে বিএনপি। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হলে দেশবাসীকে আর কয়েকটি দিনে অপেক্ষা করতে হবে। আশা করছি দেশবাসীকে সুখবর দিতে পারবে বিএনপি।


১১:৫৪ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার

বিএনপিতে বিভক্তি ॥ কয়েক সিনিয়র নেতার দল ছাড়ার আশঙ্কা

বিএনপিতে বিভক্তি ॥ কয়েক সিনিয়র নেতার দল ছাড়ার আশঙ্কা

তফসিল না পেছালে বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে কি যাবে না এ নিয়ে দলের নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ বলছে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কারাগারে থাকা ও দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত সভা-সমাবেশ করতে না পারায় স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব নয়। আর অপর পক্ষ বলছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না গিয়ে রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে যে খেসারত দিতে হয়েছে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আর ভুল করা যাবে না। এমন দোটানার মধ্যে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত হলে ক’জন সিনিয়র নেতা দল ছাড়তে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে।


১২:৫৮ পিএম, ৪ নভেম্বর ২০১৮ রবিবার

তারেকের ফোন: নৈশভোজ করবে না ঐক্যফ্রন্ট।

তারেকের ফোন: নৈশভোজ করবে না ঐক্যফ্রন্ট।

বাংলার চিরায়ত নিয়ম, কেউ কারো বাসায় গেলে আপ্যায়ন করা হয় খাবার দিয়ে। আর শেখ হাসিনার মেহমানদারির প্রশংসা সর্বজনবিদিত। আজ সন্ধ্যায় গণভবনে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের জন্য খাবার আয়োজন করেছিলেন ১৭ পদের খাবার দিয়ে। ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. জাফরুল্লাহও বলেছিলেন আমাদের জয় হয়েছে। চা খেতে চেয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু গতরাতের একটি ফোনে সংলাপের সব আয়োজন ভেস্তে যাচ্ছে। দেশের মানুষ যে আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলো তা ক্রমশই নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে লন্ডন থেকে আসা একটি ফোন কলের কারণে।


১১:২৪ এএম, ১ নভেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

খালেদার ভিডিও বার্তা, মির্জা ফখরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

অর্পিত ক্ষমতাবলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বহিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেল থেকে এক ভিডিও বার্তাতে সরাসরি এই ইঙ্গিত দেন তিনি। বিএনপি`র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কারাগার থেকে মোবাইলে ধারণকৃত খালেদা জিয়ার একটি ভিডিও বার্তা সন্ধ্যা দলীয় কার্যালয়ে প্রচার করেন। তিনি আরো বলেন, শুধু মির্জা ফখরুল নয়, সংলাপে অংশ নিতে যাওয়া সকলকেই তিনি বহিস্কার করবেন বেগম জিয়া। এই গুঞ্জনের জের হিসেবে গতকাল সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি, সিনিয়র নেতারা কেউই কার্যালয়ে আসেননি। বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান মনে করছেন বর্তমান নেতৃত্বাধীন বিএনপি শেখ হাসিনার ফাঁদে পা দিয়েছে।


০৩:৩২ এএম, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ বুধবার

রেকর্ড ফাঁস করেন মাহী নিজেই; ঐক্যফ্রন্ট প্রক্রিয়া বিতর্কে!(ভিডিও)

রেকর্ড ফাঁস করেন মাহী নিজেই; ঐক্যফ্রন্ট প্রক্রিয়া বিতর্কে!(ভিডিও)

সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হলেও এতে শেষ পর্যন্ত অংশ নেয়নি সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দল বিকল্প ধারা বাংলাদেশ। এ নিয়ে দিনভর রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল উত্তেজনা। সবার দৃষ্টি ছিল শেষ পর্যন্ত কী হতে যাচ্ছে সেদিকে।


১২:০৬ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৮ রবিবার

জনশূন্য বিক্ষোভ মিছিল! দলের সিনিয়র নেতাদের তোপের মুখে রিজভী

জনশূন্য বিক্ষোভ মিছিল! দলের সিনিয়র নেতাদের তোপের মুখে রিজভী

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতাদের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট হামলার মামলার রায়ের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মোড়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।


০৪:৫৯ পিএম, ১১ অক্টোবর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

ফখরুলের সাথে বাক-বিতণ্ডা, জনসভায় ছিলেন না রিজভী

ফখরুলের সাথে বাক-বিতণ্ডা, জনসভায় ছিলেন না রিজভী

দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভা  হয়েছে গতকাল। জনসভা মঞ্চে ছোট, মাঝারী স্তরের নেতা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতি থাকলেও দেখা যায়নি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে।


০৫:৩০ পিএম, ১ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার

বিএনপির সভামঞ্চে সেলফি তোলা নিয়ে ধাক্কাধাক্কি, আহত মির্জা ফখরুল

বিএনপির সভামঞ্চে সেলফি তোলা নিয়ে ধাক্কাধাক্কি, আহত মির্জা ফখরুল

দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভার মঞ্চে নেতাকর্মীদের সেলফি তোলার হিড়িক দেখা গেছে। সেলফি তোলা নিয়ে অনেক নেতাকর্মীকে ধাক্কাধাক্কি করতেও দেখা যায়। কর্মীদের ধাক্কায় নীচে পড়ে যেতে দেখা গেছে মির্জা ফখরুলকে।


০৫:১৫ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার

কোটি টাকায় পুরস্কার কিনছেন বেগম জিয়া!

বিপাকে পুরস্কারদাতারা

কোটি টাকায় পুরস্কার কিনছেন বেগম জিয়া!

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ পুরস্কার দিতে যাচ্ছে কানাডার নামসর্বস্ব একটি হিউম্যান রাইটস সংস্থা। এই পুরস্কার নিয়ে সংস্থাটির জনসংযোগ পরিচালকের সাথে লন্ডন থেকে বড় অংকের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণসহ বেরিয়ে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

গত ৭ই সেপ্টেম্বর কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে একটি আমন্ত্রণ পত্র পাঠায় ‘দি কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (CHIRO)’ নামের সংগঠনটি । আমন্ত্রন পত্রে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ পুরস্কার দেওয়ার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর রবিবার একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বলে জানায় সংস্থাটির কমিউনিকেশন এসোসিয়েট ও পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর আর্সেলি ডিনাইস গ্র্যাঞ্জা।

বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান নিয়ে কোন তথ্যই জানা নেই সংস্থাটির ইন্টারন্যাশনাল মিশন ডিরেক্টর ডক্টর ম্যারিও গুইলিম্বোর কাছে। এদিকে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন্স সার্ভিসের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আর্সেলি ডিনাইস গ্র্যাঞ্জার সাথে লন্ডন থেকে অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের তথ্য ও প্রমাণাদি। কানাডায় তদন্ত শুরু হয়েছে এই সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে।

সংস্থাটির সম্পর্কে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, এটির নাম মাত্র একটি অফিস রয়েছে যেটির ঠিকানা - 1/25 Finch Avenue West Torento, Ontario, MSN 1M6, Canada এবং উক্ত অফিসের টেলিফোন নাম্বার +১৪১৬৬৩৫৭৮০৫। কিন্তু অফিসে ফোন করে তাৎক্ষনিক কাউকে পাওয়া যায়নি। আমাদের প্রতিনিধি সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখেছেন এটি আবাসিক একটি বাসায় মাত্র দুই রুমের একটি অফিস। কর্মকর্তা কর্মচারী বলতে কেউই উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি উইকিপিডিয়াতেও তাদের সংগঠন এবং কার্যক্রম সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই। তবে তাদের ওয়েব সাইটে বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার উল্লেখ থাকলেও খোঁজ নিয়ে বাংলাদেশে ওদের কার্যক্রমের কোন রকমের বিবরণ পাওয়া যায়নি। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সংস্থাটির কমিউনিকেশন এসোসিয়েট ও পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর আর্সেলি ডিনাইস গ্র্যাঞ্জা বাংলাদেশে একটি এজেন্ট নিয়োগ দিয়েছেন যিনিই বিএনপির সাথে সমন্বয়ের কাজটি করছে।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে রায় দেয় খোদ কানাডার ফেডারেল কোর্ট। বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ বলে অভিহিত করেন। একই সালের ১২ মে দেশটির ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া রায়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করা হয়।


এমন একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতাকে কিভাবে কানাডারই একটি সংস্থা ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ পুরস্কার দেয় এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন্স সার্ভিস। হিউম্যান রাইটস সংস্থাটির পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর গ্র্যাঞ্জার বিরুদ্ধে এর আগেও আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে একাধিক পুরস্কার প্রদান এবং এ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ আছে। তবে কানাডার আদালত কর্তৃক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বিএনপি তাদের ভাবমূর্তি পুণরুদ্ধার তথা দুর্নাম ঘোচাতে কানাডার এই সংস্থাটির সাথে অর্থের বিনিময়ে ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ পুরস্কারের চুক্তি করেছে বলে অনুসন্ধানে প্রমাণ মিলেছে বলে জানান কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন্স সার্ভিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডেভিড ভিগনাউল্ট।

১ লক্ষ ২২ হাজার ডলার আর্থিক লেনদের এই চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়ায় কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অফ মিশন ইন এশিয়া মোঃ মোমিনুল হক (বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের ভাগ্নে), পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর আর্সেলি ডিনাইস গ্র্যাঞ্জা এবং বাংলাদেশী রাজনৈতিক দল বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন কবিরের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসও ইমেইল বার্তায় পাঠিয়েছেন কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন্স সার্ভিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডেভিড ভিগনাউল্ট।


০১:২৯ এএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার

তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় নারী সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা।

তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় নারী সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা।

চার দলীয় জোট সরকারের আমলে বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি করেন । আর এ বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাবনাবাসীর ভোগান্তিতে বিএনপি নেতা তারেক রহমান জড়িত থাকার বিষয়ে এক নারী সাংবাদিকের রিপোর্ট সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি করেছিল। এর সূত্র ধরেই পাবনায় সুবর্ণা আক্তার নদী (৩২) নামের সেই নারী সাংবাদিককে এবার বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারেক রহমানের অনুসারীরা।


১০:৫৪ এএম, ২৯ আগস্ট ২০১৮ বুধবার

বি. চৌধুরীকে গালাগালি, যুক্তফ্রন্টের সাথে ঐক্যে না করলেন তারেক।

বি. চৌধুরীকে গালাগালি, যুক্তফ্রন্টের সাথে ঐক্যে না করলেন তারেক।

যুক্তফ্রন্ট নামে নতুন রাজনৈতিক মোর্চার সঙ্গে বিএনপির ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরুতেই বড় বাধার মুখে পড়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এতে সরাসরি বাধ সেধেছেন। 

সূত্র জানায়, যুক্তফ্রন্টের সাথে যোগসাজশে রাজনীতিতে ফেরার নতুন অঙ্ক কষছিলেন ঢাকায় বিএনপির নীতি নির্ধারকরা। লন্ডন থেকে তারেক রহমানও জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে কোনো ঐক্য তিনি চান না।


১০:৩৮ এএম, ২৮ আগস্ট ২০১৮ মঙ্গলবার

দুবাইস্থ বাংলাদেশ মিশনের সাথে তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠতা।

দুবাইস্থ বাংলাদেশ মিশনের সাথে তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠতা।

দুবাইস্থ বাংলাদেশ মিশনের সাথে দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে। মিশনের বিভিন্ন কাজ হয় তার ইশারাতে।


সূত্র মতে, বর্তমান কনসাল জেনারেল জনাব এস. বদিরুজ্জামান দুবাই মিশনে যোগদানের পর থেকে তারেক রহমানের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ব্যাবসায়িক পার্টনার (খুলনা নিবাসী) জনাব শাহ কামালের সাথে গবীর সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। জনাব শাহ কামাল প্রকৃতপক্ষে  ব্যাবসার নামে বর্তমানে দুবাইতে গা-ঢাকা দিয়ে আছেন। কনসাল জেনারেল নিয়মিতভাবে তার সরাকারী বাসভবনে অর্থাৎ বাংলাদেশ হাউজে মদ ও জুয়ার আসরের আয়োজন করেছেন, যেখানে জনাব শা কামালসহ  স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি ঘরনার বাংলাদেশী ব্যাবসায়ী অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন।


০৫:২১ পিএম, ২৭ আগস্ট ২০১৮ সোমবার

অক্টোবর থেকে চুড়ান্ত সহিংস আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

অক্টোবর থেকে চুড়ান্ত সহিংস আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন- এ দুই ইস্যুতে আন্দোলনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করছে বিএনপি। তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই এ রোডম্যাপ চূড়ান্ত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিএনপির টার্গেট অক্টোবর। দাবি আদায়ে এ মাসেই কঠোর সহিংস কর্মসূচির মাধ্যমে তারা রাজপথে থাকবেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে রাজপথে নামবে দলটি।


০৫:৪১ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৮ শনিবার

আন্দোলনে সহিংসতায় কূটনীতিকদের অভিযোগের উত্তর দিতে পারেনি বিএনপি।

আন্দোলনে সহিংসতায় কূটনীতিকদের অভিযোগের উত্তর দিতে পারেনি বিএনপি।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের  স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রমুখ। কূটনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, কানাডা, জার্মানি, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। এই বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।


০৩:৩৩ পিএম, ৯ আগস্ট ২০১৮ বৃহস্পতিবার

রুমিন ফারহানার উস্কানি, সিলেট ককটেল হামলায় পুলিশের এসআই আহত

রুমিন ফারহানার উস্কানি, সিলেট ককটেল হামলায় পুলিশের এসআই আহত

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় বিএনপি কর্মীদের ছোঁড়া ককটেল বিস্ফোরণে রায়হান আহমদ নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন।


১১:৩৮ এএম, ২৬ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার

প্রতিদিন তিন জন পুলিশ হত্যা করুনঃ রুমিন ফারহানা

প্রতিদিন তিন জন পুলিশ হত্যা করুনঃ রুমিন ফারহানা

০১:১০ এএম, ২৬ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার

মাহমুদুর রহমনের উপর হামলা ছিলো সাজানো! গোপন ছবি প্রকাশ

মাহমুদুর রহমনের উপর হামলা ছিলো সাজানো! গোপন ছবি প্রকাশ

কুষ্টিয়ায় আদালত এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়েছেন আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। আদালত এলাকায় দীর্ঘ সময় তাকে ঘিরে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। মাহমুদুর রহমানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় ছাত্রলীগ এ হামলার সাথে জড়িত। কিন্তু অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে ছাত্রলীগ না নিজেই নিজের উপর হামলা করান মাহমুদুর রহমান।


০৫:২৪ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৮ সোমবার

মাহমুদুর রহমানের উপর দুর্বৃত্তের হামলা

মাহমুদুর রহমানের উপর দুর্বৃত্তের হামলা

আজ রবিবার বিকাল ৪টার দিকে আদালত থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন।

 


০৯:০৭ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮ রবিবার

ফোন আলাপ ফাঁস। রাজশাহীতে ককটেল বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা।

ফোন আলাপ ফাঁস। রাজশাহীতে ককটেল বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা।

 গত মঙ্গলবার রাজশাহীতে সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণা থেকে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। শুরু থেকে বিএনপি এই হামলার জন্য সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করলেও একটি ফোন কল ফাঁস হওয়ার পর পরীস্কার হইয়ে যায় এই হামালার পিছনে বিএনপিই দায়ী।


০২:৪৮ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮ রবিবার

ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে জামাত একটি ভোটও পাবে না : রিজভী

ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে জামাত একটি ভোটও পাবে না : রিজভী

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকরা দেড় শতাধিক আসন চায়। তবে এতেও খুশি নন তারা। তাদের অভিযোগ, এ বিষয়ে  বিএনপির কাছ থেকে কোনো আশ্বাসই মিলছে না। শরিক দলের একাধিক নেতা এখন প্রকাশ্যেই করছে বিএনপির নামে বিরূপ মন্তব্য। বিএনপি নেতারাও জামাত ও অন্যান্য দলগুলো নিয়ে করছে বিরূপ মন্তব্য। 


০৩:৪৬ পিএম, ১৯ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার